লিখেছেন গোলাপ
(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে) (ইন্টারন্যাল লিংকে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে: সমাধানের চেষ্টা চলছে; আপাতত প্রক্সি ব্যবহারে লিংকে গমন সহজ হবে)
"যে
মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"
মদিনায়
স্বেচ্ছা নির্বাসনের পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরি ৭ সালের জিলকদ
মাসে তাঁর প্রথম ও শেষ সফল 'ওমরাহ' পালন কীভাবে সম্পন্ন করেছিলেন; এই ওমরা পালন কালে
তিনি কোন মহিলাটি-কে বিবাহ করেছিলেন; ওমরাহ' পালন শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তন কালে তিনি
হুদাইবিয়া সন্ধি চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করেছিলেন; জিলহজ মাসে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের
পর ঐ মাসেই তিনি কোন গোত্রের বিরুদ্ধে তার আগ্রাসী হামলার আদেশ জারী করেছিলেন - ইত্যাদি
বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে। অতঃপর হিজরি ৮ সাল। আল-ওয়াকিদি <ইয়াহিয়া বিন
আবদুল্লাহ বিন আবি কাতাদা (মুহাম্মদের অনুসারী আবু কাতাদার নাতি) < আবদুল্লাহ বিন
আবি বকরের বর্ণনার উদ্ধৃতি দিয়ে আল-তাবারী বর্ণনা করেছেন যে, এই বছরটি-তে মুহাম্মদের
কন্যা যয়নাব মৃত্যু বরণ করেন।
জগতের
প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিত ও বহু অমুসলিম সাধারণ জনগণের দাবী ও বিশ্বাস
এই যে মুহাম্মদও তাঁর অনুসারীরা ছিলেন বীর, শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা (Warrio)। ইতিহাস
পর্যালোচনায় জানা যায় পুরাকালের ইতিহাসের প্রকৃত শক্তিশালী-সাহসী-বীর যোদ্ধারা কোনরূপ
পূর্বাভাস ছাড়া চতুরতার আশ্রয়ে কোন সাধারণ নিরপরাধ জনগণের ওপর আক্রমণ পরিচালনা করা-কে
তাদের জন্য অসম্মানজনক, ঘৃণিত ও কাপুরুষোচিত
জ্ঞান করতেন। তারা যুদ্ধ করতেন 'রাজায় রাজায়', ঘোষণা দিয়ে! তারা দুর্বল ও নিরস্ত্র
প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকে হেয় মনে করতেন, যার প্রমাণ আমরা দেখতে পাই আদি উৎসের
বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের লিখিত ইসলামের ইতিহাসেও (বিস্তারিত: 'লুণ্ঠন, সন্ত্রাস ও খুন বনাম সহিষ্ণুতা [পর্ব-৩১]
ও আলী ইবনে আবু তালিবের নৃশংসতা [পর্ব-৮২]' পর্বে)।
অন্যদিকে, মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের আক্রমণ ও আগ্রাসন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা কীরূপে রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি নিরীহ জনপদের ওপর অতর্কিত
আক্রমণ করে তাদের সম্পদ লুণ্ঠন করতেন তার বহু উদাহরণ আমরা 'ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ'
অধ্যায়ের গত ১৪৮-টি বিভিন্ন পর্বের ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছি।
তেমনই
একটি আক্রমণ হলো আল-কাদিদে অবস্থিত আল-মুলায়িহ গোত্রের লোকদের ওপর মুহাম্মদ অনুসারীদের
এই হামলা। মুহাম্মদ ইবনে ইশাক, আল-তাবারী ও আল-ওয়াকিদি এই হামলার বিস্তারিত বর্ণনা
তাদের নিজ নিজ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন। সবচেয়ে বিস্তারিত ও প্রাণবন্ত বর্ণনা লিপিবদ্ধ
করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির আল-তাবারী।
আল-তাবারীর (৮৩৮-৯২৩ সাল) বর্ণনা:
[1] [2] [3]
এই
বছর সফর মাসে (যার শুরু হয়েছিল মে ৩১, ৬২৯ সাল) আল্লাহর নবী গালিব বিন আবদুল্লাহ আল
লেইথি-কে আল-কাদিদ নামক স্থানে অবস্থিত বানু আল-মুলায়িহ গোত্রের [4] লোকদের বিরুদ্ধে হামলার উদ্দেশ্যে
প্রেরণ করেন।
'এই
হামলাকারী দল ও গালিব বিন আবদুল্লাহর উপাখ্যান-টি ইবরাহিম বিন সাইদ আল-জাওহারি [5]
ও সাইদ বিন ইয়াহিয়া বিন সাইদ [6] আমাকে জানিয়েছেন (ইবরাহিম যা
বলেছেন তা হলো এই যে তিনি এই রিপোর্টটি [তার পিতা] ইয়াহিয়া বিন সাইদের [7] কাছ থেকে জেনেছেন)। এ ছাড়াও আমরা এই রিপোর্ট-টি পেয়েছি ইবনে
হুমায়েদ <সালামাহ হইতে। এই সমস্ত রিপোর্টই ইবনে ইশাক <ইয়াকুব বিন ওতবা বিন
আল-মুঘিরা <মুসলিম বিন আবদুল্লাহ বিন খুবায়েব আল-জুহানি < জুনদাব বিন মাকিত আল-জুহানি [8] হইতে
হইতে প্রাপ্ত, যিনি বলেছেন:
'আল্লাহর
নবী গালিব বিন আবদুল্লাহ আল কালবি-কে (আল-লেইথ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত কালব গোত্রের)
কাদিদে অবস্থিত বানু আল-মুলায়িহ গোত্রের লোকদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন ও তিনি তাকে
তাদের হামলা করার আদেশ দেন। গালিব যাত্রা শুরু করে; আমি তার সেই হামলাকারী দলের
সঙ্গে ছিলাম। আমরা যাত্রা অব্যাহত রাখি যতক্ষণে না আমরা আল-কাদিয়াদ স্থানটিতে এসে
পৌঁছই [9]; যেখানে আমরা হারিথ বিন মালিক
নামের এক লোকের সম্মুখীন হই, যিনি ইবনে আল-বাসরা নামে পরিচিত ছিলেন। আমরা তাকে ধরে
ফেলি, কিন্তু সে বলে, "আমি মুসলমান হয়েছি।" গালিব বিন আবদুল্লাহ বলে,
"যদি তুমি সত্যিই মুসলমান হয়ে থাকো, এক দিন ও রাত্রি বন্দি অবস্থায় কাটালে
তোমার কোন ক্ষতি হবে না; যদি তুমি অন্য কোন উদ্দেশ্যে এসে থাকো, আমরা (সেই সূত্রে)
তোমার কাছ থেকে নিরাপদ থাকবো।" অতঃপর সে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে ও আমাদের
সঙ্গের এক ছোটখাটো কৃষ্ণকায় লোককে তাকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দিয়ে সেখানে রেখে
দেয়, বলে, "তার সাথে থাকো, যতক্ষণে না আমরা এখান থেকে চলে যাই। যদি সে তোমাকে
ঝামেলা করে, তবে তার কল্লা কেটে ফেলো।"
আমরা
যাত্রা অব্যাহত রাখি, যতক্ষণে না আমারা আল-কাদিদ এলাকার নিম্নভূমিতে এসে পৌঁছই ও
আছরের নামাজের পরে প্রায় সন্ধ্যার সময় সেখানে গিয়ে থামি। আমার অনুসারীরা তাদের
গতিবিধির তথ্য সংগ্রহের জন্য আমাকে বাহিরে পাঠায়। আমি এক পাহাড়ের উপরে যাই, যেখান
থেকে আমি এই জনবসতির ওপর নজর রাখি ও মাটির দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ি। সেটি ছিল
সূর্যাস্তের একটু আগেই। তাদের একজন লোক বাহিরে আসে, তাকায় ও আমাকে পাহাড়ের উপর
শুয়ে থাকতে দেখে। সে তার স্ত্রীকে বলে, "আল্লাহর কসম, আমি পাহাড়ের উপর এক
অবয়ব দেখতে পেয়েছি, যা দিনের শুরুতে আমি দেখি নাই। দেখত দেখি কুকুরগুলো তোমার
থালা-বাসনের কোন একটা দূরে টেনে নিয়ে গেছে কিনা।" মেয়েটি সেগুলো দেখে ও বলে,
"আল্লাহর কসম, আমার কোন কিছুই খোয়া যায় নাই।" পুরুষটি বলে, "আমার
ধনুক ও দু'টি তীর আমার হাতে দাও।" মেয়েটি সেগুলো তার হাতে দেয় ও সে আমাকে
লক্ষ্য করে একটি তীর নিক্ষেপ করে, যা আমার শরীরের এক পাশে এসে বিদ্ধ হয়। আমি তা
টেনে উঠিয়ে ফেলি, নীচে রাখি ও কোনরূপ নড়াচড়া করি না। অতঃপর সে তার অপর তীরটি আমার
দিকে নিক্ষেপ করে ও তা আমার কাঁধের ওপরের অংশে বিদ্ধ হয়। আমি তা টেনে উঠিয়ে ফেলি,
নীচে রাখি ও কোনরূপ নড়াচড়া করি না। পুরুষটি বলে, "আল্লাহর কসম, আমার দুইটি
তীরই বিদ্ধ হয়েছে। যদি এটি জীবিত কোন কিছু হতো, তবে তা নড়াচড়া করতো। আগামী কাল
সকালে গিয়ে আমার এই তীরগুলো নিয়ে এসো, যাতে কুকুরগুলো এসব চিবাতে না পারে।"
আমরা
তাদের সময় দেয় যতক্ষণে না চারণভূমি থেকে সন্ধ্যায় তাদের গবাদি-পশুর পালগুলো ফিরে
আসে। তারপর তারা যখন তাদের উটগুলোর দুধ দুয়ে নেয়, প্রাণীগুলোকে তাদের পানি খাওয়ার
পাত্রের পাশে বিশ্রামের জন্য রেখে আসে, সেগুলো নড়াচড়া বন্ধ করে ও যখন
রাতের প্রথম প্রহর অতিবাহিত হয়; তখন আমরা তাদের ওপর হামলা করি। আমরা তাদের কিছু
লোকদের হত্যা করি, উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে প্রত্যাবর্তনের উদ্দেশ্যে রওনা হই। এদিকে,
তারা তাদের সাহায্যের আবেদন জানিয়ে তাদের লোকজনদের ডাকাডাকি শুরু করে।
আমরা
দ্রুতবেগে রওনা হই। আমরা যখন আল-হারিথ বিন মালিক (ইবনে আল-বারসা) ও তার সহচরদের
পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, আমরা তাকে আমাদের সঙ্গে নিই। তাদের লোকদের সাহায্যের জন্য যে
দলটি ডাকা হয়েছিল, তারা আমাদের দিকে ছুটে আসে। তারা আমাদের চেয়ে অনেক বেশী
শক্তিশালী ছিল। যাহোক, যখন আমাদের ও তাদের মধ্যের দূরত্ব শুধুমাত্র কুদায়েদের গভীর
গিরিখাতের তলদেশ, আল্লাহ অপ্রত্যাশিতভাবে মেঘের আবির্ভাব ঘটায়, যদিও আমরা এর আগে
না কোন বৃষ্টি বা না কোন মেঘ দেখতে পেয়েছিলাম; আর তার ফলে যা হয়েছিল তা হলো এমনই
(এক জলস্রোত) যা (অতিক্রম) করার ঝুঁকি কেউই নেয় নাই। যখন আমরা দ্রুতবেগে উটগুলো
তাড়িয়ে নিয়ে আসছিলাম, আমরা দেখেছিলাম যে তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে; তাদের কেউই
ঝুঁকি অতিক্রমে সক্ষম হয় নাই বা সামনে অগ্রসর হতে পারে নাই। আমরা সেগুলো নিয়ে আল-মুশাললালে
আসি ও অতঃপর ওগুলো সেখান থেকে নীচে নামিয়ে নিয়ে আসি [10]; আমরা যা কিছু নিয়ে এসেছিলাম সেগুলো নিয়ে উপজাতি লোকদের কাছ থেকে
সুকৌশলে পালিয়ে আসি।
ইবনে
হুমাযেদ হইতে< সালামাহ হইতে <মুহাম্মদ ইবনে ইশাক হইতে <আসলাম গোত্রের এক
লোক হইতে < আসলাম গোত্রের এক শেখ হইতে বর্ণিত: ঐ রাত্রিতে আল্লাহর নবীর
অনুসারীদের এই হামলাটির সিংহনাদ (battle
cry) ছিল: "হত্যা কর!
হত্যা কর!"
আল-ওয়াকিদির
তথ্য মতে: গালিব বিন আবদুল্লাহ আল কালবির নেতৃত্বে এই হামলাকারী দলটির সঙ্গে ছিল
১৩ থেকে ১৯জন লোক।'
- অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ - লেখক।
>>>
কী প্রাণবন্ত ও বিস্তারিত বর্ণনা:
'---আমরা তাদের সময় দেয় যতক্ষণে না চারণভূমি থেকে
সন্ধ্যায় তাদের গবাদি-পশুর পালগুলো ফিরে আসে, তারপর তারা যখন তাদের উটগুলোর দুধ দুয়ে
নেয়, প্রাণীগুলোকে তাদের পানি খাওয়ার পাত্রের পাশে বিশ্রামের জন্য রেখে আসে, সেগুলো
নড়াচড়া বন্ধ করে ও যখন রাতের প্রথম প্রহর অতিবাহিত হয়; তখন আমরা তাদের ওপর হামলা করি।
আমরা তাদের কিছু লোকদের হত্যা করি, উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে আসি।--'
রাতের অন্ধকারে
এহেন ঘুমন্ত নিরীহ জনপদের ওপর আক্রমণ করে তাদের খুন-জখম-বন্দি করে দাস ও দাসী-করণ ও
সম্পত্তি লুণ্ঠন করা (পর্ব-১৩০); রাতের অন্ধকারে রাস্তার পাশে
ওৎ পেতে অপেক্ষা করে বাণিজ্য ফেরত নিরীহ কাফেলা আরোহীদের খুন-জখম-বন্দি করে তাদের সম্পত্তি
লুণ্ঠন করা (পর্ব-২৯); চতুরতার আশ্রয়ে (‘জিবরাইল বলেছে’)
এক জনপদের সমস্ত লোকদের ওপর গণহত্যা সংঘটিত করা (পর্ব-৮৭); মিথ্যা অভিযোগে কোন গোত্রের সমস্ত
মানুষ-কে তাদের শত শত বছরের ভিটে-মাটি থেকে
এক বস্ত্রে বিতাড়িত করে তাদের সমস্ত সম্পত্তি লুণ্ঠন করা (পর্ব-৫১ ও পর্ব-৫২) - মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সংঘটিত
এমন অসংখ্য কর্মকাণ্ড-কে মুসলিম ঐতিহাসিকরা 'হামলা বা অভিযান (Raid or Expedition)' নামে আখ্যায়িত
করেছেন!
কিন্তু,
ইসলামের ইতিহাসের
সবচেয়ে আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই এই সব অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও বিস্তারিত
বর্ণনার আলোকে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের এহেন কর্মকাণ্ডগুলো-কে নিঃসন্দেহে 'সন্ত্রাস ও ডাকাতি
(Terrorism and robbery)' নামে আখ্যায়িত করাই যথোপযুক্ত! তাদেরই
বর্ণিত এই সমস্ত বর্ণনার আলোকে, মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের "নীতি-পরায়ণ, বীর, শক্তিশালী ও সাহসী যোদ্ধা" নামে আখ্যায়িত
করার কোন সুযোগ নেই!
ইসলামী
ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে
বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে
এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে আল-তাবারীর মূল
ইংরেজি অনুবাদের অংশটিও সংযুক্ত করছি। [1]
The narratives of
Al-Tabari (838-923 AD):
In Safar of this year the
Messenger of God sent Ghalib b. `Abdallah al-Laythi on a raid to al-Kadid against
the Banu al-Mulawwih. According to Abu Ja'far [al-Tabarij: The report of this
raiding party and of Ghalib b. 'Abdallah was transmitted to me by Ibrahim b.
Said al-Jawhari and Said b. Yahya b. Sa'id. (Ibrahim said he had received his
report from Yahya b. Said; Said b. Yahya said he had received his report from
his father [Yahya b. Sa'id]) We also received this report from Ibn
Humayd-Salamah. All [these reports] are from Ibn Ishaq -Ya'qub b. 'Utbah b.
al-Mughirah - Muslim b. 'Abdallah b. Khubayb al-Juhani-Jundab b. Makith
al-Juhani, who said: The Messenger of God sent out Ghalib b. 'Abdallah al-Kalbi
(of the Kalb [subdivision] of Layth) against the Banu al-Mulawwih in al-Kadid
and commanded him to raid them. Ghalib set out; I was in his raiding party. We
traveled on until, when we were at Qudayd, we encountered al-Harith b. Malik,
known as Ibn al-Barga' al-Laythi. We took him, but he said, "I came only
to become a Muslim." Ghalib b. 'Abdallah said, "If you have indeed
come as a Muslim, it will not harm you to be bound for a day and night; if you
have come for another purpose, we shall [thereby] be safe from you." So he
secured him with a rope and left a little black man who was with us in charge
of him, saying: "Stay with him until we pass by you. If he gives you
trouble, cut off his head."
We continued on until we
came to the bottomland of al-Kadid and halted toward evening, after the
midafternoon prayer. My companions sent me out as a scout. I went to a hill
that gave me a view of the settlement and lay face down on the ground. It was
just before sunset. One of their men came out, looked, and saw me lying on the
hill. He said to his wife: "By God, I see a shape on this hill that I did
not see at the beginning of the day. See whether the dogs may not have dragged
away one of your utensils." She looked and said, "By God, I am not
missing anything." He said, "Hand me my bow and two of my
arrows." She handed them to him, and he shot me with an arrow and hit my
side. I pulled it out, put it down, and did not move. Then he shot me with the
other and hit the top of my shoulder. I pulled it out, put it down, and did not
move. He said: "By God, both my arrows penetrated it. If it were a living
thing, it would have moved. Go after my arrows in the morning and get them, so
that the dogs do not chew them up for me."
We gave them
time until their herds had come back from pasture in the evening. After they
had milked the camels, set them to rest by the watering trough, and had stopped
moving around, after the first part of the night had passed, we launched the
raid on them. We killed some of them, drove away the camels, and set out to
return. Meanwhile, the party carrying the people's appeal for aid set out to
the tribe to get help.
We traveled quickly. When
we passed by al-Harith b. Malik (Ibn al-Barsa') and his companion, we took him
with us. The party summoned to aid the people came at us. They were too
powerful for us. However, when only the bottom of Qudayd Canyon was between us
and them, God sent clouds from out of the blue, although we had seen neither
rain nor clouds before that, and the result was [a torrent] that no one could
risk [crossing]. We saw them looking at us, none of them able to risk it or
advance, while we quickly drove off the camels. We took them up to al-Mushallal
and then brought them down from it, and we eluded the tribesmen with what we
had taken. -- According to Ibn Humayd -Salamah -Muhammad b. Ishaq -a man from
Aslam -a shaykh of Aslam: The battle cry of the
companions of the Messenger of God that night was "Kill! Kill!"
According to al-Wagidi: The raiding party led by Ghalib b. 'Abdallah consisted
of between thirteen and nineteen men.
(চলবে)
তথ্যসূত্র ও
পাদটীকা:
[1] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক:
আল-তাবারী, ভলুউম ৮; ইংরেজী অনুবাদ: Michael Fishbein, University of California, Los Angeles, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭, ISBN 0-7914-3150—9 (pbk), পৃষ্ঠা (Leiden) ১৫৯৮-১৬০১; বিনামূল্যে ডাউনলোড লিঙ্ক:
[2] অনুরূপ বর্ণনা: “সিরাত রসুল
আল্লাহ”- লেখক: মুহাম্মদ ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম
(মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ: A.
GUILLAUME,
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৬৬০-৬৬২; বিনামূল্যে ডাউনলোড লিঙ্ক:
[3] অনুরূপ বর্ণনা: “কিতাব
আল-মাগাজি”- লেখক: আল-ওয়াকিদি (৭৪৮-৮২২ খৃষ্টাব্দ), ed.
Marsden Jones, লন্ডন ১৯৬৬; ভলুম ২, পৃষ্ঠা ৭৫০-৭৫২; ইংরেজি
অনুবাদ: Rizwi Faizer, Amal Ismail and
Abdul Kader Tayob; ISBN: 978-0-415-86485-5 (pbk); পৃষ্ঠা ৩৬৯-৩৭০ http://www.amazon.com/The-Life-Muhammad-Al-Waqidis-al-Maghazi/dp/0415864852#reader_0415864852
[4]
‘বানু আল-মুলায়িহ গোত্রটি ছিল বানু বকর বিন আবেদে মানাত গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বানু
লেইথ গোত্রের এক অংশ, যাদের এলাকা ছিল মদিনার পশ্চিমে। আল-কাদিদ এলাকা-টি ছিল
হিজাজে, মক্কা থেকে ২৪ মাইল দূরে।'
[5]
'ইবরাহিম বিন সাইদ আল-জাওহারি ছিলেন মূলত তাবারিস্তানের অধিবাসী; তিনি আনুমানিক
৮৬৪ সালে (হিজরি ২৫০ সাল) মৃত্যু বরণ করেন।'
[6]
‘সাইদ বিন ইয়াহিয়া বিন সাইদ আল-উমায়ি আনুমানিক ৮৬৩ সালে (হিজরি ২৪৯ সাল) মৃত্যু
বরণ করেন।'
[7]
'আবু আইয়ুব ইয়াহিয়া বিন সাইদ বিন আবান বিন সাইদ বিন আল-আস বিন উমায়ি আল-কুফি
আনুমানিক ৭৩২ সালে (হিজরি ১১৪) জন্ম গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি বাগদাদে চলে আসেন
ও সেখানেই তিনি ৮০৯ সালে (হিজরি ১৯৪) মৃত্যুবরণ করেন।'
[8]
‘জুনদাব বিন মাকিত আল-জুহানি ছিলেন নবীর সহচর।'
[9] 'আল-কাদিয়াদ - মক্কার নিকটবর্তী, মক্কা যাওয়ার রাস্তার পাশে
প্রচুর জল সমৃদ্ধ এক বড় গ্রাম।'
[10] 'আল-মুশাললাল হলো একটি পাহাড়, যেখান থেকে আল-কাদিয়াদ পর্যবেক্ষণ
করা যায়।'
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন